Technology Used by Successwful Businesses
Showing posts with label Vulnerability. Show all posts
Showing posts with label Vulnerability. Show all posts

WannaCry Ransomware-ইনক্রিপ্টেড ফাইল ডিক্রিপ্ট করার উপায় (ছবিসহ)

WannaCry Ransomware-ইনক্রিপ্টেড ফাইল ডিক্রিপ্ট করার উপায় (ছবিসহ)
আপনারা সবাই জানেন যে এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় ম্যালওয়্যার আক্রমণ হল সম্প্রতি আলোচিত ওয়ান্নাক্রাই র‍্যান্সমওয়্যার আক্রমণ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংক, সরকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং এটিএম বুথগুলোতে এই ম্যালওয়্যার এর আক্রমণ ছড়িয়েছে। বাংলাদেশের এশিয়ান টিভির ১২ টি কম্পিউটার, একটি ট্রাভেল এজেন্সির ৭ টি কম্পিউটার সহ ব্যাক্তিগত মালিকানার বেশ কিছু কম্পিউটারেও এই ম্যালওয়্যারের আক্রমণ হয়েছে। এখন পর্যন্ত উইন্ডোজ এবং লিনাক্স ওএস এ এই আক্রমণ দেখা গেছে।
ক্রিপটোগ্রাফির বিস্তারিতঃ এই অংশটুকু পড়লেই বুঝতে পারবেন যে এটিকে বাগে নিয়ে আসতে কেন এত বেগ পেতে হল-
#এই র‍্যান্সমওয়্যার তার ইনক্রিপশন প্রসেস শুরু করার পূর্বে www[.]iuqerfsodp9ifjaposdfjhgosurijfaewrwergwea[.]com এবং www[.]ifferfsodp9ifjaposdfjhgosurijfaewrwergwea[.]com এই ২টি ওয়েবসাইট এর সাথে কানেক্ট হত। #এটির বাইনারি লার্জ অবজেক্ট (blob) ইনক্রিপটেড করা ছিল ‘WNcry@2ol7‘ এই পাসওয়ার্ড দিয়ে। #প্রতিটি ইনক্রিপশনে এটি ক্রিপটোসিস্টেম এলগরিদম RSA মুডে একটি নতুন 2048 বিটের keypair জেনারেট করে। #এটির public key বাইনারি লার্জ অবজেক্ট আকারে এক্সপোর্ট হয় এবং 00000000.pky এই নামে ফাইল সেভ হয়। #এটির private key ইনক্রিপ্ট হয় তার public key দিয়ে এবং 00000000.eky এই নামে ফাইল সেভ হয়। #এটির আক্রমণে ডিভাইসের ফাইলগুলো এডভান্সড এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড 128-CBC অর্থাৎ ১২৮ বিটে সাইফার ব্লক চেইনিং মুডে ইনক্রিপ্ট হয় এবং প্রতিটি ফাইলের জন্য একেকটি ইউনিক এডভান্সড এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড কি জেনারেট হয়।
ইনক্রিপ্টেড ফাইল ডিক্রিপ্ট করার উপায়ঃ
“এই পদ্ধতিতে ফাইল ডিক্রিপ্ট করতে চাইলে ম্যালওয়্যার আক্রমণের পর কোনভাবেই আপনার ডিভাইস রিস্টার্ট বা শাট ডাউন করবেন না”
প্রথমে https://goo.gl/6jlUmc এই লিংকে যান এবং জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করুন।


ডেস্কটপে নিয়ে এক্সট্র্যাক্ট করুন এবং wanakiwi.exe ফাইলটিতে ডবল ক্লিক করুন। উক্ত exe ফাইলটি নিজ থেকেই 00000000.pky ফাইলটি খুঁজবে। কেন এই ফাইল খুঁজবে তা উপরের “ক্রিপ্টোগ্রাফির বিস্তারিত” অংশটি ভাল করে পড়লেই বুঝবেন।


বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর cmd তে যখন এমন ok রেস্পন্স আশা শুরু হবে তখন Decrypt বাটন চাপুন।


Decrypt বাটনে ক্লিক করলে নতুন উইন্ডো আসবে সেখানে Start বাটনে ক্লিক করলেই ফাইল ডিক্রিপ্ট হওয়া শুরু হবে।



লিখেছেন : TAMZID RAHMAN LEO
Read More

Ransomware(রান্সমওয়ার)- এক ভয়াল সাইবারআতঙ্ক ধেয়ে আসছে

Ransomware(রান্সমওয়ার)- এক ভয়াল সাইবারআতঙ্ক ধেয়ে আসছে

বেশ আরামেই ছিলেন। এখানে ওখানে লাইক দিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। কেউ কোনো লিংক পাঠালে হামলে পড়ে ক্লিক করে নিচ্ছিলেন মজা। ইমেইলে হোক বা মেসেঞ্জারে, কতো কিছু দেখার আছে, যাই পান, তাই ক্লিকান, শেয়ারান, লাইকান। কী আরামের জীবন, তাই না?
হঠাৎ করে আপনার কম্পিউটারের সবকিছু কেমন ঝাপসা হয়ে এলো। স্ক্রিনে একটা উইন্ডো ওপেন হয়ে গেলো। সেখানে কাউন্ট ডাউন হচ্ছে। আর আছে বার্তা। আপনার জন্যই একটা বার্তা।
"এই কম্পিউটারের সব ফাইল এখন আমাদের দখলে। সবগুলা ফাইল এনক্রিপ্ট করে দুর্বোধ্য করে দেয়া হয়েছে। যদি পেতে চাও, তাহলে জলদি জলদি ১ সপ্তাহের মধ্যে আমাদের ঠিকানায় বিট কয়েনের মাধ্যমে ৫০০ ডলার পাঠাও। তাহলে তোমার ফাইল ফেরত পাওয়ার গুপ্ত চাবি বা key দেয়া হবে।
তোমার সময় সীমিত। আর পুলিশকে বলে কিচ্ছু হবে না, তারা কিচ্ছু করতে পারবেনা, কিন্তু ১ সপ্তাহ পেরুলে তোমার সাধের সেলফি, দরকারি ডকুমেন্ট, কিছুই আর কোনোদিন ফেরত পাবে না"।
ঘাবড়ে গিয়ে জলদি জলদি আপনার ফটো ফোল্ডারে গেলেন, আসলেই তো, কিছুই তো নাই। মানে আছে বটে, কিন্তু প্রত্যেকটা ফাইলের এক্সটেনশন পাল্টে গেছে, আর রিনেম করে খোলার চেষ্টা করেও খুলতে পারছেন না। আপনার ডকুমেন্ট ফোল্ডারেরও একই অবস্থা। কিছুই পড়া যাচ্ছেনা, সব দুর্বোধ্য।
ঘটনাটা কী? ঘটনা হলো আপনি শিকার হয়েছেন র‍্যান্সমওয়ার নামের নতুন ধরনের ভাইরাসের।
এক কালে ভাইরাস কিছুই করতো না, স্ক্রিনে হাবিজাবি মেসেজ দিতো, আর বেশি খাইস্টা হলে ফাইলের মধ্যে ঢুকে বসে থাকতো। কিন্তু সে ছিলো সাইবারক্রাইমের প্রাথমিক আমল। ভাইরাস লিখতো বোরড হয়ে যাওয়া টিনেজ বয়সী ছেলেপেলেরা। সেই আমল আর নাই, এখন প্রকৃত অপরাধীরা নেমেছে মাঠে। তাদের লক্ষ্য চাঁদাবাজি, আপনার জিনিষপত্রকে জিম্মি করে রেখে টাকা আদায়। মজার ভিডিও দেখার লোভে নানান লিংকে ক্লিক করে আপনি দিব্যি তাদের টোপ গিলছেন, আর তাদের রানসমওয়ার ভাইরাস ঢুকে গেছে আপনার কম্পিউটারে। একবার ঢোকার পর এর কাজ হলো কম্পিউটারের সব ফাইলকে এনক্রিপ্ট করে ফেলা বা দুর্বোধ্য করে দেয়া। সেই সব ফাইল আগের অবস্থায় পেতে হলে একটি জটিল সংকেত বা key লাগবে, যা আন্দাজে বের করা সম্ভব না কারো পক্ষে, কেবল অপরাধীদের কাছেই আছে সেটা। ব্যাস, এটা একবার করে ফেলার পরেই আপনাকে দেয়া হবে সেই চাঁদা চেয়ে চিঠি। দুঃখজনক হলো, অন্যান্য ভাইরাস নাহয় এন্টিভাইরাস দিয়ে সরানো সম্ভব, কিন্তু রানসমওয়ারে এনক্রিপ্ট বা দুর্বোধ্য হওয়া ফাইল কোনোভাবেই ফেরত পাবেন না, যদি না আপনার কাছে সেই সাংকেতিক চাবি বা key থাকে।
ফলে আপনি নাচার, এই অপরাধীদের টাকা দেয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। আর এরা টাকাটাও নেয় ডিজিটাল কারেন্সি বিট কয়েনে, যা কোনোভাবেই ট্রেস করা যায় না কে কীভাবে নিয়ে গেছে। টাকা দিতে না পারলে ১ সপ্তাহ পরে তাদের চাহিদা আরো বাড়বে, এবং আর কিছুদিন পরে চিরতরে আপনার ফাইলগুলা হারাবেন।
এই সমস্যা রীতিমত মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ছে, এবং এর সহজ কোনো সমাধান নাই। আমেরিকার এক হাসপাতালের সব ফাইল, রোগীর তথ্য কিছুদিন আগে গায়েব হয়ে গেছে এইভাবে, তারা হাজার হাজার ডলার দিয়ে ফেরত পেয়েছে। আরেক জায়গায় বাঘের ঘরে ঘোগের বাসার মতো এক পুলিশ বিভাগের সব রেকর্ড এভাবে অপরাধীরা জিম্মি করে রেখেছিলো, পুলিশ শেষ পর্যন্ত ৮ হাজার ডলার দিয়ে ফেরত পেয়েছে তাদের ফাইল। সাধারন ইউজারেরা ৩০০ থেকে ৫০০ ডলার দিয়ে তবেই ছাড়া পাচ্ছেন। আর এই পুরা জিনিষটা নিয়ন্ত্রন হচ্ছে পূর্ব ইউরোপ, এশিয়া, এবং অজানা জায়গার সব অপরাধী মাস্টারমাইন্ডদের হাতে।
বাংলাদেশে রান্সমওয়ার কতটা ছড়িয়েছে জানি না, কিন্তু অচিরেই এটা বাংলাদেশে বড় একটি সাইবারক্রাইম হিসাবে দেখা দিবে বলে আশংকা করছি। কাজেই সময় থাকতে সাবধান হন, নিজের ছবি, ফাইলের ব্যাকাপ রাখুন পেন ড্রাইভে বা ইন্টারনেটের সাথে সংযোগ নাই এমন জায়গায়, আর এখানে সেখানে ক্লিকানো, লাইকানোর বদভ্যাসটা বাদ দেন।
রান্সমওয়ার আইলো ... সবাই সাবধান ...
‪#‎এলোচিন্তা‬ ‪
#‎সাইবারক্রাইম‬ ‪
#‎নিরাপত্তাকৌশল‬
Read More