২০১৫ সালে ৫০ কোটিও বেশি ডিজিটাল আইডেন্টিটি চুরি হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সফওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিম্যানটেক। এ সময়ে ভুয়া টেকলিক্যাল সাপোর্ট বেড়েছে প্রায় ২০০ শতাংশ। আর মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে সাইবার আক্রমণের ঘটনা বেড়েছে ৩৫ শতাংশ।
প্রতিষ্ঠানটি বার্ষিক হুমকি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হ্যাকাররা বিভিন্ন ধরনের আক্রমণের জন্য অপরিচিত সব সফটওয়্যার ব্যবহার করছে। হ্যাকার দলগুলো দিন দিন অনেক অনেক বেশি পেশাদার ও দক্ষ হয়ে উঠছে।
সিম্যানটেকের নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক কেভিন হেলি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, হ্যাকার দলগুলো দক্ষ টেকনিশিয়ানদের ভাড়া করছে। এদের অনেকেই নিজেদের সাধারণ কাজের বাইরে পার্ট টাইম হিসেবে হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। এরা ঘণ্টা ভিত্তিক এবং ছুটির দিনেও কাজ করে বলে জানান কেভিন।
তিনি আরও জানান, কোন কোন প্রতিষ্ঠানে আক্রমণ চালানো হবে তা দেখভালের জন্য বিভিন্ন কল সেন্টারে হ্যাকার গ্যাংয়ের বেশ কিছু সদস্য রয়েছেন। যারা সবকিছু নজরদারিতে রাখেন।
হাসপাতাল, হেলথকেয়ার ফার্ম, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হ্যাকারদের মূল টার্গেট। এছাড়াও কোনো কোনো হ্যাকার পারসোনাল কম্পিউটারেও আক্রমণ করে বসেন। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে লক করার পর মোটা অঙ্কের মুক্তিপণের বিনিময়ে সেসব কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের ফিরিয়ে দেয়া হয়।
