কি হচ্ছে এগুলো আমাদের দেশে। এক কথাই বলতে চাই কবে বুঝবে সরকার হ্যাকাররা দেশের কত বড় সম্পদ। সরকার অনলাইন এবং অফলাইন নিরাপত্তার জন্য কেনো দেশের হ্যাকারদের ব্যবহার করছে না। ক্যানো দেশের টাকা হ্যাকাররা এতো সহজেই উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। যদি ডিজিটাল দেশ বানাতে চাই সরকার হ্যাকার দের লাগবেই। সরকারের
একটা কথা জানা খুব দরকার At This Problem Only Hacker Can Help You.
Its Not To late make government hacker team for safe digital bangladesh Like Others country
মেইন নিউজ :
ব্র্যাক ব্যাংকের পর এবার বিদেশি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের এক ডেবিট কার্ড গ্রাহক জালিয়াতির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন।
শাহরিন হক নামে এই নারী বলেছেন, সোমবার রাতে তার অগোচরেই তার সঙ্গে থাকা কার্ড ব্যবহার করে ৬০ হাজার টাকা কেনাকাটা হয়ে গেছে।
এটিএম বুথ থেকে গ্রাহকদের টাকা উধাও এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে টাকা খোয়া যাওয়ার মধ্যে কার্ড জালিয়াতি করে কেনাকাটার দ্বিতীয় অভিযোগ এল।
এক যুগেরও বেশি দিন ধরে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের গ্রাহক শাহরিন হক এই জালিয়াতির ঘটনায় রমনা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ খোয়া যাওয়া অর্থ ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলে শাহরিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান।
এ বিষয়ে কথা বলতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স বিটপী দাশ চৌধুরীকে কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়েও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
শাহরিন বলেছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ব্যাংক থেকে তাকে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
“ব্যাংক থেকে একজন আমাকে ফোন করে বলেছে, আমার টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করবেন। তবে একটু সময় লাগবে।”
ব্যাংকটির ‘প্রিমিয়াম ডেবিট কার্ড’ হোল্ডার শাহরিন জানান, প্রতিটি ট্রানজিকশনের জন্য তিনি এসএমএস পেয়ে থাকেন। সোমবার রাতে এসএমএস পাওয়ার পর তিনি বুঝতে পারেন তার কার্ড জালিয়াতি হয়েছে।
সোমবার রাত ৯টা ১১ মিনিটের সময় শাহরিনের মোবাইলে ট্রানজিকশনের এসএমএসটি আসে। তার কার্ড ব্যবহার করে ৫০ হাজার ৭০০ টাকা পরিশোধের এসএমএস আসে।
“আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম। আমি বাসায় ছিলাম, কার্ড আমার সাথেই ছিল। ২০ মিনিট পর আমি আরেকটি এসএমএস পেলাম। যাতে লেখা ওঠে কার্ড ব্যবহার করে ১১ হাজার ৯৯০ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, কোন দোকানে টাকা পরিশোধ হয়েছে, দুটি এসএমএসের একটিতেও তার উল্লেখ ছিল না। ছিল না ব্যাংকের ফোন নম্বরও, যা অন্য সময় আসত।
“তখন আমি নিশ্চিত হলাম, আমি একটা সমস্যায় পড়েছি, কেউ একজন আমার কার্ড নকল করে ব্যবহার শুরু করেছে, যেরকমটি সম্প্রতি শুনতে পাচ্ছিলাম,” বলেন শাহরিন।
তবে এরপর ব্যাংকটির গ্রাহক সেন্টারে ফোন করে কার্ডটি ব্লক করতে পারলেও অভিযোগ জানিয়ে ই-মেইল করে অনেক দেরিতে সাড়া পান বলে জানান তিনি।
রমনা থানার এসআই তাপস কুমার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, জিডির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করছেন তারা।
গত ২১ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি ব্র্যাক ব্যাংকের প্রীত রেজা নামের এক গ্রাহকের ডেবিট কার্ড দিয়ে ২৪ হাজার ৯০০ টাকার কেনাকাটা করেছিল জালিয়াত চক্র।
শাহরিন হক নামে এই নারী বলেছেন, সোমবার রাতে তার অগোচরেই তার সঙ্গে থাকা কার্ড ব্যবহার করে ৬০ হাজার টাকা কেনাকাটা হয়ে গেছে।
এটিএম বুথ থেকে গ্রাহকদের টাকা উধাও এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে টাকা খোয়া যাওয়ার মধ্যে কার্ড জালিয়াতি করে কেনাকাটার দ্বিতীয় অভিযোগ এল।
এক যুগেরও বেশি দিন ধরে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের গ্রাহক শাহরিন হক এই জালিয়াতির ঘটনায় রমনা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ খোয়া যাওয়া অর্থ ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলে শাহরিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান।
এ বিষয়ে কথা বলতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স বিটপী দাশ চৌধুরীকে কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়েও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
শাহরিন বলেছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ব্যাংক থেকে তাকে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
“ব্যাংক থেকে একজন আমাকে ফোন করে বলেছে, আমার টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করবেন। তবে একটু সময় লাগবে।”
ব্যাংকটির ‘প্রিমিয়াম ডেবিট কার্ড’ হোল্ডার শাহরিন জানান, প্রতিটি ট্রানজিকশনের জন্য তিনি এসএমএস পেয়ে থাকেন। সোমবার রাতে এসএমএস পাওয়ার পর তিনি বুঝতে পারেন তার কার্ড জালিয়াতি হয়েছে।
সোমবার রাত ৯টা ১১ মিনিটের সময় শাহরিনের মোবাইলে ট্রানজিকশনের এসএমএসটি আসে। তার কার্ড ব্যবহার করে ৫০ হাজার ৭০০ টাকা পরিশোধের এসএমএস আসে।
“আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম। আমি বাসায় ছিলাম, কার্ড আমার সাথেই ছিল। ২০ মিনিট পর আমি আরেকটি এসএমএস পেলাম। যাতে লেখা ওঠে কার্ড ব্যবহার করে ১১ হাজার ৯৯০ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, কোন দোকানে টাকা পরিশোধ হয়েছে, দুটি এসএমএসের একটিতেও তার উল্লেখ ছিল না। ছিল না ব্যাংকের ফোন নম্বরও, যা অন্য সময় আসত।
“তখন আমি নিশ্চিত হলাম, আমি একটা সমস্যায় পড়েছি, কেউ একজন আমার কার্ড নকল করে ব্যবহার শুরু করেছে, যেরকমটি সম্প্রতি শুনতে পাচ্ছিলাম,” বলেন শাহরিন।
তবে এরপর ব্যাংকটির গ্রাহক সেন্টারে ফোন করে কার্ডটি ব্লক করতে পারলেও অভিযোগ জানিয়ে ই-মেইল করে অনেক দেরিতে সাড়া পান বলে জানান তিনি।
রমনা থানার এসআই তাপস কুমার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, জিডির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করছেন তারা।
গত ২১ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি ব্র্যাক ব্যাংকের প্রীত রেজা নামের এক গ্রাহকের ডেবিট কার্ড দিয়ে ২৪ হাজার ৯০০ টাকার কেনাকাটা করেছিল জালিয়াত চক্র।
নিউজ টি বিডি নিউজ থেকে পাওয়া
