এত দিন উইন্ডোজ সফটওয়্যার ব্যবহারকারীরা নিরপত্তা নিয়ে অধিক সমস্যায়
ছিলেন। মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ চালিত কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার ও ভাইরাস
আক্রমণ চালিয়েছে সাইবার দুর্বৃত্তরা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অ্যাপলের তৈরি
পণ্যের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ফায়ারআই সম্প্রতি
সতর্ক করে বলেছে, ২০১৬ সালে অ্যাপলের পণ্যে সাইবার আক্রমণ বাড়বে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যাপলের ম্যাক কম্পিউটার আর ম্যাকবুকেই শুধু নয়,আইওএস অপারেটিং সিস্টেমচালিত পণ্য আইফোন ও আইপ্যাড লক্ষ্য করে আক্রমণ বাড়াতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা।
ফায়ারআইয়ের গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন,অ্যাপলের সুরক্ষিত বাগানের দুর্বলতা বের হয়ে গেছে,যা ব্যবহারকারীদের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে। ফায়ারআইয়ের মতোই সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সিমানটেক অ্যাপলের দুর্বলতা নিয়ে সতর্ক করেছে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যাপলের ম্যাক কম্পিউটার আর ম্যাকবুকেই শুধু নয়,আইওএস অপারেটিং সিস্টেমচালিত পণ্য আইফোন ও আইপ্যাড লক্ষ্য করে আক্রমণ বাড়াতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা।
ফায়ারআইয়ের গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন,অ্যাপলের সুরক্ষিত বাগানের দুর্বলতা বের হয়ে গেছে,যা ব্যবহারকারীদের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে। ফায়ারআইয়ের মতোই সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সিমানটেক অ্যাপলের দুর্বলতা নিয়ে সতর্ক করেছে।
এর আগে
২০১৪ সালে ফায়ারআইয়ের গবেষকেরা অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরে সাইবার
দুর্বৃত্তদের হামলার কথা জানিয়েছিলেন। সম্প্রতি ‘লুকিং ফরোয়ার্ড: দ্য
২০১৬ সিকিউরিটি ল্যান্ডস্কেপ’ নামের প্রতিবেদনে ফায়ারআইয়ের গবেষক ব্রাইস
বোল্যান্ড বলেছেন, ২০১৬ সালে তীব্র আক্রমণের মুখে পড়বে অ্যাপল। বর্তমানে
ডেস্কটপ ও মোবাইলের ক্ষেত্রে অ্যাপলের বাজার দখল বাড়ছে এবং সাইবার
দুর্বৃত্তদের কাছে লোভনীয় হয়ে উঠছে। সিমানটেক সতর্ক করে বলেছে, ওএস এক্স
সফটওয়্যারে ম্যালওয়্যার আক্রমণের হার ২০১৪ সালের তুলনায় এ বছর নয় গুণ
বেড়েছে। গবেষক ডিক ও’ব্রায়েন বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে অ্যাপল নিরাপদ
প্ল্যাটফর্ম হিসেবে থাকলেও এখন সে অবস্থা বদলে গেছে। নতুন ধরনের আক্রমণ ও
ম্যালওয়্যার ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ছে।
