ফোন এবং কম্পিউটার হ্যাকিং অনেক হয়েছে – এবার আপনাদের জীবহ্যাকিং এর মৌলিক বিষয় নিয়ে কিছু বলি। একটি কিকস্টারটার প্রোজেক্ট রোবরোচ একটি তেলাপোকাকে হ্যাক করতে সক্ষম হয়েছে এবং সেটা আপনার স্মার্ট ফোন দিয়েই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। পুরোটুকু জানতে আরো পড়ুন কিভাবে এটি কাজ করে।
আপনাকে জীবহ্যাকিং এর মৌলিক ধারণা দিতে, একটি কিকস্টারটার-ফান্ডের জীবহ্যাকিং পরীক্ষা, রোবরোচ নামে পরিচিত, একটি শিক্ষার্থী সরঞ্জাম উপস্থাপন করে। এই সরঞ্জামটি দিয়ে যে কেউ একটি জীবন্ত তেলাপোকাকে নিয়ন্ত্রণ করে সাইবর্গ পোষাতে পরিণত করতে সক্ষম হবে।
যদিও জীবহ্যাকিং বিজ্ঞানের জগতে এখনও নতুন ক্ষেত্র, রোবরোচ সেটি নিয়ে কাজ করতে আরো অভিজ্ঞতা অর্জনে ইচ্ছুক। এই ৯৯ ডলারের সরঞ্জামের মধ্যে একটি জীবন্ত তেলাপোকাতে সার্জারী সম্পন্ন করতে সক্ষম এমন একটি সরঞ্জাম এবং সাথে রয়েছে একটি ব্লুটুথ-সম্বলিত চিপ।
কিকস্টারটার এর পেজের ভাষ্য মতে, রোবরোচটি হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম বাণিজ্যিকভাবে বাজারকৃত সাইবর্গ। এই পরীক্ষণটি নিউরো সাইন্স এবং নিউরাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মিলিত প্রয়াস।
তেলাপোকাদের সাথে যোগাযোগ করতে, একটি সার্জারিকাল পদ্ধতিতে, একটি ব্লুটুথ-সম্বলিত তিনটি লিডবিশিষ্ট সিস্টেম এটির পিছনে স্থাপন করা হয়েছে। প্রত্যাশিতভাবে, রোবরোচ কিছু বিতর্ক এবং উদ্বেগের সৃষ্টি করে। সেগুলো উল্লেখ করে, রোবরোচ নির্মাতা ব্যাকইয়ার্ড ব্রায়ান বলেনঃ
“আমরা পরীক্ষাটি করার সময় আমাদের সকল প্রাণীদের অবচেতন করি, এবং আমরা তা আমাদের শিক্ষার্থীদের কাছে ব্যাখ্যা করি। কীটপতঙ্গরা ব্যথা অনুভব করে কিনা আমরা মূলত তা জানি না, কিন্তু আমাদের ধারণা তারা করে, যার কারণে আমরা প্রথমে তাদের অবচেতন করি।
সার্জারীটি সম্পন্ন করার পর, আপনি আপনার স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে তেলাপোকাটির চলাফেরা নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। চিপটি আপনাকে একটি সিউডো-স্টিমিউলি তৈরি করতে সাহায্য করে যা আপনার সাইবর্গ পোকার গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করে।“
এই প্রক্রিয়াটি অল্প কিছু সময়ের জন্য কাজ করে থাকে যখন তেলাপোকার ব্রেইনে ইহার প্রভাব শুরু হয়। পরীক্ষণটি শেষ হওয়ার পর, আপনি ব্লু-টুথ চিপটি খুলে তেলাপোকাটির কোন প্রকার ক্ষতি ছাড়ায় এটিকে চরণভুমিতে ছেড়ে দিতে পারবেন।
নিচের ভিডিওটিতে দেখুন কিভাবে রোবরোচটি কাজ করেঃ