প্রধান কয়েকটি পরিবর্তনের মধ্যে, ফেসবুক কয়েকটি শর্ত আরোপ করে "আসল নাম" নিয়ে একটি নীতি চালু করেছে। শুক্রবারে ফেসবুক ঘোষণা দিয়েছে যে তারা তাদের বহুল সমালোচিত "আসল নাম" এর নীতিটি পরিবর্তন করছে যা ব্যবহারকারীকে তাদের আসল নাম গোপন বা রক্ষা করার পরিবর্তে তা ব্যবহারে বাধ্য করে।
যদিও আসল নাম ব্যবহারের নীতিটি নিয়ে বিরোধিতা চলে আসছিল যখন তা প্রথম চালু করা হয়, কিন্তু তা এই বছরে তা আরো বেড়েছে। দ্যি ট্রান্স এন্ড নেটিভ আমেরিকান কমিউনিটিগুলো নীতিটি নিয়ে বার বার প্রতিবাদ করে আসছে, যা হাস্যকর বিষয়ের নাম করে হয়রানির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। প্রতিবাদি দল যথাক্রমে EFF এবং ACLU এর পাঠানো খোলা চিঠির সাড়া হিসেবে আজকের ঘোষণাটি এসেছে ।
ফেসবুক এখন জনসাধারণের উপযোগী চাহিদায় প্রণিত হয়েছে এবং তাদের আসল নাম এর নীতিতে পরিবরতন এনেছে, যদিও কিছু শর্তে। প্রথমত, ফেসবুক এখন ব্যবহারকারীদের তাদের নাম প্রদান করার মাধ্যমে অতিরিক্ত তথ্য ও ব্যাখ্যা দিতে হবে যখন তারা অ্যাকাউন্টে তাদের নাম নিশ্চিত করবে। "ইহা আমাদের কমিউনিটি অপারেশন টিমকে পরিস্থিতিটিকে ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে", বিবৃবিতে লিখেছেন ফেসবুক গ্রুথ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালেক্স সাল্টজ। "ভবিষ্যতে সম্ভাব্য পরিবর্তন আনার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কেন তাদের নামটি প্রদান করতে পারছেন না, এটি আমাদের আরো ভালোভাবে তা বুঝতে সাহায্য করবে।"
দ্বিতীয়ত, অন্যান্য ব্যবহারীদের অতিরিক্ত তথ্য প্রদানের মাধ্যমে অন্যের ভিন্ন নাম ব্যবহারের ব্যাপারে অভিযোগ পেশ করার সুযোগ করে দিবে। ফেসবুক বলেছে যে যদিও তারা তাদের আসল নাম এর নীতিতে পরিবর্তন আনছে, তারা তাদের ধাপটিকে আরো কঠিন করেছে সে সমস্ত লোকদের জন্য যারা অহেতুক অভিযোগ প্রদান করবে, চিহ্নিত প্রোফাইলগুলোকে লক করে দেয়া হবে যতক্ষণ না তারা প্রমাণ করছে যে তারা তারাই যা তারা নিজেদের বলে আসছে।
উপরন্তু, আরো বলিষ্ঠ ও স্বচ্ছ আবেদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে ফেসবুক উভয় নামের নিশ্চিতকরণ প্রক্রিয়া শুরু করবে, যেখানে কোন প্রকার সরকারী অনুমোদিত পরিচয়পত্রের দরকার হবে না।
সাল্টজ বলেছেন যে এটি ইহা প্রকাশ করছে না যে ফেসবুক তাদের আসল নামের নীতি থেকে সরে যাচ্ছে। তিনি বলেছেন, এটি ফেসবুকের নীতিমালাকে মূলত আরো নিরাপদ করবে, বিশেষত সেই সমস্ত স্প্যামারদের রোদ করা যাবে যারা গোপনীয়তাকে তাদের আশ্রয় করে নিয়েছে। আশা করি ডিসেম্বর মাসে নীতিটিতে পরিবর্তন আনা হবে।
