আমরা প্রতিদিন অপরিচিত নাম্বার থেকে অনেক ফোন কল এবং ম্যাসেজ পেয়ে থাকি যা আমাদের টাকা ও ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে
পারে, সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং হ্যাক থেকে এক ধরনের
খবর পাওয়া যায় যে, এই ধরনের চুরি মোবাইল নাম্বার দিয়েই করা যায়।
মানুষ খুব বেশি নিরাপত্তা জন্য নতুন পাসওয়ার্ড তৈরি করতে গিয়ে হ্যাকারদের কাছে পাসওয়ার্ড চলে যায়।
হ্যাক করার জন্য একটা
ই-মেইল একাউন্ট পেতে খুব বেশি দক্ষতা ও কষ্ট করার প্রযোজন হয়
না । শুধুমাত্র কিছু প্রশ্নের মাধ্যমে ই-মেইল ও ফোন নাম্বার নেওয়া যায়।
সকল মেইল সার্ভিসের পাসওয়ার্ড রি-সেট করার পদ্ধতি একই রকম । সকল জনপ্রিয় মেইল সার্ভিস (জিমেইল “gmail”,ইয়াহু “yahoo” এবং আরও অনেক) এর পাসওয়ার্ড
রি-কাভার পদ্ধতি একই রকম ।
কারও ই-মেইল
একাউন্ট হ্যাক করতে হলে প্রথমে তার ফোন নাম্বার প্রয়োজন।
ই-মেইল হ্যাক করার পদ্ধতি
হ্যাক করার বিভিন্ন apps
ব্যবহার করে একটি ই-মেইল হ্যাক করা হয় । apps
এর মাধ্যমে মোবাইল ফোনে এমন ভাবে এসএমএস পাঠান হয়
যেন গ্রাহক মনে করে এই এসএমএস রি-প্লে দিয়ে তার ই-মেইল একাউন্ট ভেরিফাই
করতে হবে ।এরপর...
১। পুনরায় একটি এসএমএস পাঠাতে হবে যেখানে
কোড এর পাশাপাশি একটা লিংক থাকবে ।
২। এসএমএস টা এমন হবে যে ,আপনি এই লিংকটা ক্লিক করে ভেরিফিকেশন কোড ব্যবহার করে আপনার একাউন্ট ভেরিফাই
করুন।
৩। তারপর গ্রাহক লিংকটা ক্লিক করে কোডটা বসিয়ে দিলেই হ্যাকার লগ ইন করতে পারবে ।
এই তথ্যের মাধ্যমে যে কোন ব্যক্তি অতি সহজে একটি ই-মেইল একাউন্ট হ্যাক করতে পারবে ।
অনেকেই unknown
নাম্বার থেকে আসা ফোন ও এসএমএস রি-প্লে দেয় ,
তাদের ধারনা ফোনটি হয়ত বা কোম্পানি থেকে এসেছে । কোন uncommon
নাম্বার থেকে কোম্পানির ফোন বা এসএমএস আসে না ।
